মানুষের পাশে, মানুষের জন্য।
২০০৬ সালে ঝিনাইগাতী, শেরপুরের একদল তরুণের হাতে গড়ে ওঠা প্রশাখা একটি অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। শীতার্ত ও বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ আর অসচ্ছল পরিবারের জীবিকা সহায়তায় আমরা কাজ করে চলেছি। নেতৃত্ব নির্বাচিত হয় সদস্যদের সরাসরি ভোটে, আর প্রতিটি অনুদান যাচাই করে হিসাবে লেখা থাকে।
📌 নির্বাচন কমিশনের অনুরোধ বিষয়: বার্ষিক চাঁদা পরিশোধপূর্বক ভোটার হওয়ার জন্য অনুরোধ। প্রশাখার আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সংশ্লিষ্ট সকল সম্মানিত প্রার্থী ও সদস্যের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ভোটার হওয়ার জন্য সদস্যপদের প্রয়োজনীয় শর্তসমূহ পূরণ করা আবশ্যক। যেসব সম্মানিত প্রার্থীর সংগঠনের বার্ষিক চাঁদা/সদস্য চাঁদা বকেয়া রয়েছে, তাঁদেরকে আগামী ০৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের মধ্যে বকেয়া চাঁদা পরিশোধ করে সদস্যপদের প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চাঁদা পরিশোধের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সদস্যগণ নিজেদের ভোটার হওয়ার যোগ্যতা নিশ্চিত করতে পারবেন এবং আসন্ন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় তাঁদের অংশগ্রহণের সুযোগ অক্ষুণ্ণ রাখতে পারবেন। নির্বাচন কমিশন আশা করে, সংগঠনের প্রতি দায়বদ্ধতা ও আসন্ন নির্বাচনের গুরুত্ব বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট সকলেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। চাঁদা পরিশোধের নম্বরঃ বিকাশ/নগদ/রকেটঃ 01925-005827
প্রশাখার কার্যনির্বাহী পর্ষদ নির্বাচন-২০২৬ অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলকভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নির্বাচনী তফসিল, বিধিমালা, আচরণবিধি এবং নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন। প্রশাখার গঠনতন্ত্র, সাংগঠনিক বিধি এবং সদস্যদের গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের অধিকার সমুন্নত রাখার উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নিম্নবর্ণিত নির্বাচনী বিধিমালা ও তফসিল জারি করা হলো। এই প্রজ্ঞাপন প্রকাশের তারিখ হতে নির্বাচন-সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম এই বিধিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হবে। --- ১। নির্বাচনের উদ্দেশ্য ১.১। প্রশাখার কার্যনির্বাহী পর্ষদের জন্য যোগ্য সদস্যদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করা; ১.২। সদস্যদের মতামত, ভোটাধিকার ও সাংগঠনিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা; ১.৩। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা, সমতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা; ১.৪। নির্বাচনের প্রতিটি ধাপ পূর্বনির্ধারিত ও সকল সদস্যের জন্য সমভাবে প্রযোজ্য রাখা। --- ২। নির্বাচন কমিশন ২.১। নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রশাখা কর্তৃক গঠিত নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে। ২.২। নির্বাচন কমিশন নিম্নলিখিত কার্যক্রম সম্পাদন করবে— ক) নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা; খ) ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও যাচাই; গ) মনোনয়নপত্র গ্রহণ; ঘ) প্রার্থীর যোগ্যতা যাচাই; ঙ) আপত্তি ও আপিল নিষ্পত্তি; চ) নির্বাচনী আচরণবিধি বাস্তবায়ন; ছ) ভোট গ্রহণের ব্যবস্থা; জ) ভোট গণনা ও ফলাফল যাচাই; ঝ) ফলাফল ঘোষণা ও প্রত্যয়ন; এবং ঞ) নির্বাচন-সংক্রান্ত নথি সংরক্ষণ। ২.৩। নির্বাচন কমিশনের কোনো সদস্য নির্বাচনে কোনো পদে প্রার্থী হতে পারবেন না এবং কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। --- ৩। নির্বাচনের মৌলিক নীতি নির্বাচন কমিশন নিম্নলিখিত নীতির ভিত্তিতে নির্বাচন পরিচালনা করবে— ক. অবাধ অংশগ্রহণ যোগ্য প্রত্যেক সদস্যের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে। খ. সমান সুযোগ প্রত্যেক প্রার্থী একই নির্বাচনী বিধি ও সুযোগের অধীন থাকবেন। গ. নিরপেক্ষতা নির্বাচন কমিশন কোনো প্রার্থী বা পক্ষের প্রতি পক্ষপাত প্রদর্শন করবে না। ঘ. গোপনীয়তা ভোটারের ভোটের পছন্দ গোপন থাকবে। ঙ. স্বচ্ছতা নির্বাচনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ও ফলাফল যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে। চ. জবাবদিহিতা নির্বাচন-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের লিখিত রেকর্ড সংরক্ষণ করা হবে। --- ৪। নির্বাচনী তফসিল নির্বাচন কমিশন নিম্নলিখিত প্রাথমিক সময়সূচি ঘোষণা করছে: ১| নির্বাচনী তফসিল ঘোষণাঃ ৩0 সেপ্টেম্বর। ২| ভোটার তালিকা হালনাগাদঃ ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ০২ অক্টোবর। ৩| খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশঃ ০৩ অক্টোবর। ৩| ভোটার তালিকা সংশোধনের আবেদনঃ ০৪ অক্টোবর। ৪| চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশঃ ০৫ অক্টোবর। ৫| মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরুঃ ০৬ অক্টোবর। ৬| মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময়ঃ ০৮ অক্টোবর। ৭| মনোনয়ন যাচাইঃ ০৯ অক্টোবর। ৮| প্রাথমিক প্রার্থী তালিকাঃ ০৯ অক্টোবর। ৯| আপত্তি গ্রহণঃ ১০ অক্টোবর। ১০| আপিল ও শুনানিঃ ১০ অক্টোবর। ১১| চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকাঃ ১০ অক্টোবর। ১২| নির্বাচনী প্রচারণাঃ ১১ অক্টোবর থেকে ১৭ অক্টোবর। ১৩| প্রচারণা সমাপ্তিঃ ১৮ অক্টোবর। ১৪| ভোট গ্রহণঃ ২০ অক্টোবর, সকাল ০৮ টা হতে বিকাল ০৫ টা। ১৫| ভোট গণনাঃ ২০ অক্টোবর। ১৬| ফলাফল ঘোষণাঃ ২১ অক্টোবর। ১৭| ফলাফলের বিরুদ্ধে আপিলঃ ২২ অক্টোবর। ১৮| চূড়ান্ত ফলাফল প্রত্যয়নঃ ২৩ অক্টোবর। ১৯| দায়িত্ব হস্তান্তরঃ ২৫ অক্টোবর। নোট: নির্বাচন কমিশন অনিবার্য সাংগঠনিক বা প্রশাসনিক কারণে প্রয়োজনবোধে কোনো তারিখ সংশোধন করতে পারবে। তবে সংশোধিত তফসিল লিখিতভাবে পূনরায় প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবে। --- ৫। ভোটার তালিকা ৫.১। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ভোট প্রদানের যোগ্য সদস্যদের সমন্বয়ে প্রাথমিক ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হবে। সকল সদস্যগণ সংযুক্ত লিংকটিতে প্রবেশ করে নিজের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান সাপেক্ষে সদস্য পদ নিবন্ধন করবেন https://proshakha.volunteer.bd/#register ৫.২। প্রাথমিক ভোটার তালিকা প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সদস্যরা নাম অন্তর্ভুক্তি, সংশোধন বা বাদ পড়ার বিষয়ে লিখিত আবেদন করতে পারবেন। ৫.৩। যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে। ৫.৪। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত সদস্যরাই নির্বাচনে ভোট প্রদানের অধিকারী হবেন, যদি না গঠনতন্ত্র বা এই বিধিমালায় অন্যথা নির্ধারিত থাকে। --- ৬। মনোনয়নপত্র ৬.১। নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত ফরমে মনোনয়নপত্র আহ্বান করবে। ৬.২। প্রত্যেক প্রার্থীকে— - পূর্ণ নাম; - সদস্য নম্বর; - নির্বাচিতব্য পদ; - প্রার্থিতায় সম্মতি; - নির্ধারিত ঘোষণা ও স্বাক্ষর প্রদান করতে হবে। ৬.৩। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হবে না, যদি না নির্বাচন কমিশন লিখিতভাবে অন্যথা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। --- ৭। মনোনয়ন যাচাই ৭.১। নির্বাচন কমিশন প্রতিটি মনোনয়নপত্র গঠনতন্ত্র ও নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী যাচাই করবে। ৭.২। যাচাইয়ের ক্ষেত্রে বিবেচিত হবে— ক) সদস্যপদের বৈধতা; খ) প্রার্থিতার যোগ্যতা; গ) প্রয়োজনীয় সদস্যপদকাল; ঘ) মনোনয়নপত্রের পূর্ণতা; ঙ) প্রার্থীর সম্মতি; এবং চ) গঠনতন্ত্রে নির্ধারিত অন্যান্য শর্ত। ৭.৩। কোনো মনোনয়ন বাতিল করা হলে তার কারণ নির্বাচন কমিশনের নথিতে সংরক্ষিত থাকবে। --- ৮। প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা ও আপত্তি ৮.১। মনোনয়ন যাচাই শেষে নির্বাচন কমিশন প্রাথমিকভাবে গৃহীত ও বাতিল মনোনয়নের তালিকা প্রকাশ করবে। ৮.২। কোনো সদস্য প্রার্থীর যোগ্যতা সম্পর্কে আপত্তি থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিতভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছে তা দাখিল করতে পারবেন। ৮.৩। আপত্তির সঙ্গে প্রাসঙ্গিক তথ্য বা প্রমাণ সংযুক্ত করা যেতে পারে। ৮.৪। ব্যক্তিগত আক্রমণ, মানহানিকর বক্তব্য বা অপ্রাসঙ্গিক অভিযোগ নির্বাচনী আপত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে না। --- ৯। আপিল ও শুনানি ৯.১। মনোনয়নসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত আপিল করা যাবে। ৯.২। নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে শুনানির সুযোগ প্রদান করবে। ৯.৩। শুনানি ও যাচাই শেষে কমিশনের সিদ্ধান্ত লিখিতভাবে সংরক্ষণ করা হবে। ৯.৪। আপিল নিষ্পত্তির পর নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে। --- ১০। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ১০.১। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায়— পদ | প্রার্থীর নাম | সদস্য নম্বর উল্লেখ থাকবে। ১০.২। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর নির্বাচনী বিধিমালা ব্যতীত অন্য কোনো কারণে কোনো প্রার্থীকে বিশেষ সুবিধা প্রদান করা যাবে না। --- ১১। নির্বাচনী প্রচারণা ১১.১। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত সময়ে প্রার্থীরা প্রচারণা চালাতে পারবেন। ১১.২। প্রত্যেক প্রার্থীকে সমান সুযোগ প্রদানের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনে— - প্রার্থী পরিচিতি সভা; - প্রার্থী বক্তব্য; - প্রশ্নোত্তর পর্ব; - সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়; - প্রার্থী পরিচিতি প্রকাশনা আয়োজন করতে পারবে। ১১.৩। সকল প্রার্থীর জন্য সময়, সুযোগ ও প্রচারণার নীতিমালা সমভাবে প্রযোজ্য হবে। --- ১২। নির্বাচনী আচরণবিধি নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো প্রার্থী বা তার সমর্থক— ক) ব্যক্তিগত আক্রমণ করতে পারবেন না; খ) মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করতে পারবেন না; গ) ভোটারকে হুমকি, চাপ বা ভয় প্রদর্শন করতে পারবেন না; ঘ) অর্থ, উপহার বা কোনো বস্তুগত সুবিধার বিনিময়ে ভোট প্রার্থনা করতে পারবেন না; ঙ) অন্য প্রার্থীর প্রচারসামগ্রী নষ্ট করতে পারবেন না; চ) সংগঠনের সম্পদ অন্যায্যভাবে নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করতে পারবেন না; ছ) নির্বাচন কমিশনের অনুমতি বা বিধিমালা লঙ্ঘন করে প্রচারণা চালাতে পারবেন না। --- ১৩। প্রচারণা সমাপ্তি ভোট গ্রহণের নির্ধারিত সময়ের ২৪ ঘণ্টা পূর্বে নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ থাকবে। এই সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে প্রত্যক্ষ প্রচারণা চালানো যাবে না। --- ১৪। ভোট গ্রহণ ১৪.১। ভোট গ্রহণ নির্ধারিত তারিখ, সময় ও স্থানে অনলাইন এবং অফলাইন উভয় পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। ১৪.২। ভোটার নির্ধারিত গোপন স্থানে তার ভোট প্রদান করবেন। ১৪.৩। কোনো ভোটারের ভোটের পছন্দ প্রকাশ বা শনাক্ত করার চেষ্টা করা যাবে না। ১৪.৪। একজন ভোটার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী অনলাইন অথবা অফলাইন যে কোন একটি প্ল্যাটফর্মে একবার ভোট প্রদান করতে পারবেন। --- ১৫। ভোট গণনা ১৫.১। ভোট গ্রহণ সমাপ্তির পর নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে ভোট গণনা শুরু হবে। ১৫.২। প্রয়োজনে প্রত্যেক প্রার্থী একজন অনুমোদিত প্রতিনিধি মনোনীত করতে পারবেন, যিনি ভোট গণনা পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। ১৫.৩। ভোট গণনার ক্ষেত্রে— ক) মোট ব্যালট; খ) বৈধ ব্যালট; গ) অবৈধ ব্যালট; এবং ঘ) প্রত্যেক প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট পৃথকভাবে হিসাব করা হবে। ১৫.৪। ভোট গণনা শেষে একটি লিখিত গণনা Sheet প্রস্তুত করা হবে। --- ১৬। অবৈধ ভোট নির্ধারিত ভোটদানের নিয়ম এমনভাবে লঙ্ঘিত হলে যাতে ভোটারের পছন্দ নির্ভরযোগ্যভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব না হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যালট অবৈধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। বিশেষ করে অনলাইন এবং অফলাইন উভয় পদ্ধতিতে ভোট প্রদান করলে তা বাতিল বা অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। অবৈধ ব্যালটের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। --- ১৭। ফলাফল ঘোষণা ভোট গণনা ও যাচাই শেষে নির্বাচন কমিশন ফলাফল ঘোষণা করবে। ফলাফলে থাকবে— ১. মোট ভোটার সংখ্যা; ২. মোট ভোট প্রদানকারী; ৩. মোট ব্যালট; ৪. বৈধ ভোট; ৫. বাতিল ভোট; ৬. প্রতিটি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট; এবং ৭. নির্বাচিত প্রার্থীর নাম। ১৮। সমান ভোট কোনো পদে দুই বা ততোধিক প্রার্থী সমসংখ্যক ভোট পেলে গঠনতন্ত্রে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। গঠনতন্ত্রে এ বিষয়ে কোনো বিধান না থাকলে নির্বাচন কমিশন ভোট গ্রহণের পূর্বেই একটি নিরপেক্ষ Tie-Breaking Procedure ঘোষণা করবে। ভোট গণনা শেষে নতুন কোনো পদ্ধতি প্রবর্তন করা যাবে না। --- ১৯। ফলাফল প্রত্যয়ন নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ফলাফল লিখিতভাবে প্রত্যয়ন করবে। --- ২০। ফলাফলের বিরুদ্ধে আপিল ২০.১। ফলাফল ঘোষণার পর [২৪] ঘণ্টার মধ্যে লিখিত আপিল দাখিল করা যাবে। ২০.২। আপিলে অভিযোগের নির্দিষ্ট কারণ ও প্রাসঙ্গিক প্রমাণ উল্লেখ করতে হবে। ২০.৩। নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করবে। ২০.৪। আপিল নিষ্পত্তির পর কমিশন চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করবে। --- ২১। নির্বাচনসংক্রান্ত নথি নির্বাচন কমিশন নির্বাচন-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথি সংরক্ষণ করবে। এর মধ্যে থাকবে— - ভোটার তালিকা; - মনোনয়নপত্র; - প্রার্থী যাচাইয়ের নথি; - আপত্তি ও আপিল; - ভোট গণনা Sheet; - ফলাফল Sheet; - চূড়ান্ত ফলাফল; - নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত ও কার্যবিবরণী। --- ২২। দায়িত্ব হস্তান্তর চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিদায়ী কার্যনির্বাহী পর্ষদ নবনির্বাচিত পর্ষদের কাছে সাংগঠনিক দায়িত্ব হস্তান্তর করবে। দায়িত্ব হস্তান্তরের সময় প্রযোজ্য ক্ষেত্রে— - সাংগঠনিক নথি; - হিসাব ও আর্থিক রেকর্ড; - সম্পদ ও সম্পত্তির তালিকা; - চলমান কার্যক্রম; - অফিসিয়াল রেকর্ড; - অন্যান্য প্রাসঙ্গিক দলিল হস্তান্তর করা হবে। --- ২৩। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে এই প্রজ্ঞাপন, গঠনতন্ত্র এবং প্রকাশিত নির্বাচনী বিধিমালা অনুসরণ করা হবে। কোনো বিষয়ে ব্যাখ্যার প্রয়োজন হলে নির্বাচন কমিশন লিখিত সিদ্ধান্ত প্রদান করতে পারবে এবং সেই সিদ্ধান্ত নির্বাচন-সংক্রান্ত নথিতে সংরক্ষণ করা হবে। --- ২৪। কার্যকারিতা এই প্রজ্ঞাপন প্রকাশের তারিখ হতে কার্যকর হবে এবং নির্বাচন-সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম চূড়ান্ত ফলাফল ও দায়িত্ব হস্তান্তর সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। --- নির্বাচন কমিশনের পক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নাম: জনাব হেলাল উদ্দিন। স্বাক্ষর: _________ তারিখ: ________ নির্বাচন কমিশনার নাম: জনাব ফয়সাল হাসান পাবেল। স্বাক্ষর: _________ নির্বাচন কমিশনার নাম: জনাব সিদ্দিকুর রহমান সোহেল। স্বাক্ষর: _________ --- “নির্বাচন হোক সদস্যদের মতামতের প্রতিফলন, প্রক্রিয়া হোক স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ।” প্রশাখা নির্বাচন কমিশন
মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান? আজই প্রশাখার সদস্য হিসেবে নিবন্ধন করুন — অ্যাডমিন যাচাই ও অনুমোদনের পর আপনার নাম ও সদস্য নম্বর সদস্য তালিকায় দেখা যাবে।
সদস্য হোন